কাউন্টার
কর্মপ্রার্থীদের জন্য নিয়োগকর্তাদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাউন্টার Skill Provider ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন কেরিয়ার কর্নার
Egiye Bangla

নিজেদের সম্পর্কে

এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম দপ্তর ও তথ্য-প্রযুক্তি দপ্তরের একটি যৌথ উদ্যোগ। প্রকল্পটিতে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন উচ্চশিক্ষ দপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দপ্তর। এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক তৈরি ও চালু করার ক্ষেত্রে শ্রম দপ্তর নোডাল দপ্তরের কাজ করছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীন শ্রম দপ্তর চায় রাজ্যে স্বাস্থ্যকর ও সংহতিপূর্ণ শ্রম-সম্পর্ককে পরিপুষ্ট করতে। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করার জন্য যে সব শ্রম আইন প্রচলিত আছে তাদের প্রয়োগ করতে। এই দপ্তর শ্রমিক শ্রেণির কল্যাণের জন্য সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত নানান প্রকল্প রূপায়ন করে থাকে। এই দপ্তর রাজ্যের কর্মহীন যুবক-যুবতিদের জন্যও কাজ করে চলেছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম দপ্তরের অধীন দাইরেক্টরেটগুলির তালিকা -
ক. লেবার ডাইরেকটরেট
খ. এমপ্লয়মেন্ট ডাইরেকটরেট
গ. শপস এন্ড এসটাবলিশ্মেন্ট ডাইরেকটরেট
ঘ. ফ্যাকটরিজ ডাইরেকটরেট
ঙ. বয়লার ডাইরেকটরেট
 

এ ছাড়া এই দপ্তর কেন্দ্রিয় সরকারের অধীনে ই এস আই ডাইরেকটরেট-এর ই এস আই (এম.বি)-র কাজও শ্রম দপ্তর পরিচালনা করে থাকে।

এমপ্লয়মেন্ট ডাইরেকটরেট সম্পর্কিত তথ্য -

এমপ্লয়মেন্ট ডাইরেকটরেট, পশ্চিমবঙ্গ-এর মাধ্যমে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক প্রকল্পটি রূপায়িত ও পরিচালিত হচ্ছে।

ক. সাংগঠনিক পরিকাঠামো
১। কর্মনিয়োগকেন্দ্রের মোট সংখ্যা – ৭৩ কর্মনিয়োগকেন্দ্রগুলির নাম, ঠিকানা, ফোন নং ইত্যাদি
২। বিশ্ববিদ্যালয় কর্মনিয়োগ তথ্য ও নির্দেশনা শাখার মোট সংখ্যা - ০৪ (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)
৩। ব্লক-পর্যায়ে কর্মনিয়োগ তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্রের মোট সংখ্যা – ৫৬
৪। জেলা-সদরে আঞ্চলিক যুগ্ম-অধিকর্তা / সহ-অধিকর্তার অফিসের মোট সংখ্যা – ১৮ ( পূর্ব-মেদিনিপুর জেলার কাজকর্ম পশ্চিম-মেদিনীপুর জেলার দায়িত্বে থাকা যুগ্ম-অধিকর্তাই দেখা-শোনা করেন)
কাজের বাজার-তথ্যকেন্দ্রের মোট সংখ্যা – ৩২
৬। বৃত্তি-নির্দেশনা কেন্দ্রের মোট সংখ্যা – ৩৫
খ. এমপ্লয়মেন্ট ডাইরেকটরেট-এর কাজকর্ম
খ.১ নিয়োগ-প্রদান-এর কাজ
কর্মনিয়োগ অধিকার তার অধীনে পরিব্যপ্ত কর্মনিয়োগকেন্দ্রগুলির মাধ্যমে রাজ্য সরকার ও সরকার অধিগৃহীত সব সংস্থায় পিএসসি-বহির্ভূত পদগুলিতে নিয়োগের ব্যাপারে প্রধান কর্মনিয়োগ সংস্থা হিসেবে কাজ করে। এই ধরণের শূন্যপদগুলিতে বিচার বিভাগের এক সিদ্ধান্ত, যেখানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরাসরি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লোকনিয়োগ করতে হবে, তার ফলে এই রকম নিয়োগের সংখ্যা বিপুল ভাবে হ্রাস পেয়েছে।এই সুযোগ আরো সংকুচিত হয়েছে বর্তমানে নানান সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে লোক নিয়োগের কারণে।
ইতিমধ্যে, বেসরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগের সুযোগ সরকারি ক্ষেত্রকে ছাপিয়ে গেছে, যা অন্যান্য ব্যাপার-স্যাপারের সঙ্গে দক্ষতার দিক দিয়ে কিছু বেমানান পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে, বা কাজের বাজারে চাহিদা ও যোগানের মধ্যে একটা ফাঁক তৈরি হয়েছে।
এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কের প্রাথমিক লক্ষ্য হল কর্মপ্রার্থীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং দ্বিতীয়ত, দক্ষতার এই বেমানান অবস্থাকে কাটিয়ে ওঠা।
খ.২ দক্ষতা-বৃদ্ধির জন্য কর্মনিয়োগ অধিকারের উদ্যোগ
১. নথিভুক্ত কর্মপ্রার্থীদের জন্য দক্ষতা-বৃদ্ধি প্রকল্প
ক. দক্ষতা-বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সেই সব কর্মপ্রার্থীদের যাঁদের নাম কর্মনিয়োগ কেন্দ্রে কমপক্ষে দু বছর নথিভুক্ত করা আছে এবং যাঁদের বয়স ২০ বছরের কম নয়। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সেই সব প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এবং সেই সব বিশেষ বিষয়ে যেগুলি এই প্রকল্পের তালিকাভুক্ত। প্রশিক্ষণের মোট যা খরচ তার ৫০ শতাংশ অথবা ৫০০০ টাকার মধ্যে যেটি কম হবে সরকার তা বহন করবীবং অবশিষ্ট অংশ যিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাঁকে বহন করতে হবে।
খ. মহড়া পরীক্ষা যা নেওয়া হয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আদলে এবং বিনা মূল্যে যাতে করে কর্মপ্রার্থীরা তাঁদের ক্ষমতা ও দুর্বলতার জায়গাগুলো সম্পর্কে অবহিত হতে পারেন।
গ. বিশেষ শিক্ষাদান করা হয় এই ধরণের নানান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এবং বিনামূল্যে।
ঘ. কেরিয়ার কর্নার খোলা হয়েছে সমস্ত কর্মনিয়োগ কেন্দ্রে (একমাত্র রানিগঞ্জ ও ব্যারাকপুর কর্মনিয়োগকেন্দ্র বাদে) যেখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা-কেন্দ্রিক নানান বই ও পত্র-পত্রিকা কর্মপ্রার্থীদের বসে পড়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কেরিয়ার কর্নারের তালিকা যেখানে বসে আপনি বই ও পত্র-পত্রিকা পড়তে পারবেন
ঙ. সামর্থ্য নির্ণয়ের পরীক্ষা ও শংসাপত্র প্রদান অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন এমন বেশির ভাগ মানুষজনই তাঁদের কাজ করার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেন এবং তাঁদের দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে কোনো শংসাপত্র থাকে না। এই কর্মসূচির লক্ষ্য এই গোষ্ঠীর লোকজনেদের পরীক্ষার মাধ্যমে শংসাপত্র দিয়ে তাঁদের কাজ পাবার সুযোগ বাড়ানো।
চ. দৈহিক প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ণ প্রথমে অবশিষ্ট মানসিক ও শারীরিক সামর্থ্য মেপে নেওয়া হবে তারপর সেই যাচাইয়ের মাপকাঠিতে তালিকাভুক্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে তাঁদের দক্ষতা-বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
** ঙ এবং চ চিহ্নিত কর্মসূচি-দুটি শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে।

২. গৃহপরিচারিকাদের জন্য দক্ষতা-বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ
এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হল ৩ দিনের প্রশিক্ষণ শিবির-এর মাধ্যমে সেই সব মানুষদের দক্ষতা কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া যাঁদেরকে কাজের ক্ষেত্রে নানা রকম গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয় সেই সঙ্গে তাঁদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিচ্ছন্নতা ফার্স্ট এড প্রভৃতি ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করা। প্রতি দিন প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ১০০ টাকার বৃত্তি দেওয়া হয়। .

৩. বন্ধ কল-কারখানার শ্রমিকদের জন্য দক্ষতা-বৃদ্ধি প্রকল্প
লেবের ডাইরেকটরেটের FAWLOI প্রকল্পে যে সব শ্রমিক আর্থিক সাহায্য পেয়ে থাকেন তাঁদের দক্ষতা বাড়ানো হবে এই লক্ষ্য নিয়ে যে বন্ধ কলকারখানার শ্রমিকরা বিকল্প জীবিকা খুঁজে নিতে পারেন।
প্রশিক্ষণের মূল্য হিসেবে প্রতি শ্রমিককে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ১২০০ টাকা প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ-গ্রহীতাকে প্রশিক্ষিণের কোনো খরচ বহন করতে হবে না।

৪. সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছেলেদের জন্য বিশেষ শিক্ষাদান কর্মসূচি
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল সেনা বিহিনী আয়োজিত ‘রিক্রুটমেন্ট রেলি’ বা নির্বাচন পরীক্ষা সংগঠিত হবার ঠিক আগে ৫ দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে সামরিক বাহিনীতে রাজ্যের যুবকদের চাকরি পাবার সুযোগ বাড়ানো।
খ.৩ স্ব-নিযুক্তিকে উৎসাহ-প্রদান উদ্যোগগুলি
১. উদীয়মান স্বনির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্প
পশ্চিমবঙ্গ সরকার পূর্বতন ‘সেসরু’৮৫’-প্রকল্পের বদলে নতুন প্রকল্প চালু করেছে যার নাম “উদীয়মান স্ব-নির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্প(ইউএসকেপি)২০০৮” এবং যেখানে ভর্তুকি প্রাপকের সংখ্যা একজনের বেশি তার নাম “উদীয়মান স্ব-নির্ভর কর্মসংস্থান যৌথ প্রকল্প(ইউএসকজযেপি)”। এই প্রকল্পের লক্ষ্য নথিভুক্ত কর্মহীন যুয়ক-যুবতিরা যাতে অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনা আছে এম্ন স্ব-নিযুক্তি প্রকল্প বেছে নেন তার জন্য সরকারী ভর্তুকি ও সহজ শর্তে ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক সংস্থা থেকে ঋণের ব্যবস্থা করে তাঁদের সহায়তা করা। ইউএসকেপি-তে একজন নথিভুক্ত কর্মপ্রার্থীকে ৫০০০০ টাকা ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে যার ২৫% রাজ্য সরকারী অনুদান।

২. স্ব-নিযুক্তি সচেতনতা ও অনুপ্রেরণা শিবির
স্ব-নিযুক্তি প্রকল্পে সাধারণ অনীহার কথা মাথায় রেখে পশ্চিম্বঙ্গের এমপ্লয়মেনট ডাইরেকটরেট সারা রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা কর্মনিয়োগকেন্দ্রগুলির মাধ্যমে আঁতেপ্রেনারশিপ ডেভলপম্যান্ট কর্মসূচির এই নতুন কাজটি করে চলেছে। এর উদ্দেশ্য দুটি –

 বর্তমান কাজের বাজারের গতি-প্রকৃতি বিচার করে কর্মপ্রার্থীদের স্ব-নিযুক্তির সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে সচেতন করা।
 স্ব-নিযুক্তির নানান দিক যেম্ন কী ভাবে প্রকল্প তৈরি করতে হয়, কী করে পণ্যকে বাজারজাত করতে হয়, কীভাবে ব্যাঙ্কের সঙ্গে আদান-প্রদান ঠিক রাখতে হয় এই সব ব্যাপারে সম্ভাব্য শিল্পোদ্যোগীদের কিছু প্রয়োজনীয় খোঁজ-খবর ও পরামর্শ দেওয়া।
এই ধরণের কর্মসূচিগুলি নানান ব্যাঙ্ক পরিচালিত আরসেটি (RSETI) বা রুরাল সেলফ এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং ইন্সটিটিউট-এর মাধ্যমে সংগঠিত করা হচ্ছে।
খ.৪ কর্মনিয়োগকেন্দ্রগুলিকে কমপিউটার চালিত করা
রাজ্যের সমস্ত কর্মনিয়োগকেন্দ্রগুলিই এখন ব্রডব্যান্ড পরিষেবার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। এই ভাবে রাজ্যের সমস্ত নথিভুক্ত কর্মপ্রার্থীদের তথ্য একটি জাতীয় ওয়েব পোর্টাল-এ সংরক্ষিত করা হচ্ছে যে ওয়েব পোর্টালটি তৈরি করেছেন দিল্লির এনআইসি (ন্যাশানাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার) এবং যেটির তত্ত্বাবধনার দায়িত্বে আছেন ভারত সরকারের ডাইরেকটরেট জেনারেল অফ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড ট্রেনিং।
৩ এবং ৪-এ উল্লিখিত কর্মসূচিগুলি শুরু হতে চলেছে
খ.৫ এমপ্লয়মেন্ট মার্কেট ইনফরমেশন (ইএমআই)
কর্ম্নিয়োগকেন্দ্রের এই বিভাগটি একটি কেন্দ্রীয় আইনকে বলবৎ করে যার নাম দি এমপ্লয়মেন্ট একসচেঞ্জেস (কমপালসারি নোটিফিকেশন অফ ভ্যাকেন্সিজ)অ্যাক্ট,১৯৫৯ এবং তার পরে তৈরি আনুষঙ্গিক নিয়মাবলি যাতে বলা আছে –

ক) সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা সমস্ত প্রতিষ্ঠান এবং সেই সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেখানে ২৫ বা তার বেশি লোক কাজ করেন তারা সমস্ত শূন্যপদ এমপ্লয়মেন্ট একসচেঞ্জে বিজ্ঞাপিত করবে।
খ) এই ধরণের প্রতিষ্ঠাঙ্গুলি প্রতি তিন মাস অন্তর ইআর-১ এবং প্রতি দু-বছরে একবার ইআর-২ রিটার্ন দাখিল করবেন যার উপর ভিত্তি করে সময়ে সময়ে জেলা-স্তরে এমপ্লয়মেন্ট মার্কেট রিপোর্ট, এরিয়া রিপোর্ট তৈরি করা হয় । তার উপর ভিত্তি করে রাজ্যস্তরে স্টেট এমপ্লয়মেন্ট মার্কেট রিপোর্ট তৈরি করাহয়। এই রিপোর্ট আবার ভারত সরকারকে পাঠানো হয় জাতীয়-স্তরে রিপোর্ট তৈরির জন্য। শেষ পর্যন্ত ভারত সরকারের সেই রিপোর্ট প্ল্যানিং কমিশন-সহ নানান সংস্থার কাজে লাগে।
খ.৬ বৃত্তি-নির্দেশনা কর্মসূচি
এই কর্মসূচিটি অনেকগুলি পরিষেবার সমষ্টি, যার মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন একজন কর্মপ্রার্থীকে তাঁর শিক্ষাগত, বৃত্তিগত, ব্যক্তিগত দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করে তাঁর বৃত্তি-নির্বাচন-সম্পর্কিত নানান সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়, অন্যদিকে তেমনি তাঁকে তাঁর যোগ্যতার নিরিখে বর্তমান কাজের বাজারের সুযোগ ও অসুবিধাগুলি সম্পর্কে সচেতন করা হয়। এর মধ্যে থাকে কর্মপ্রার্থীর শক্তি ও দুর্বলতার ক্ষেত্রগুলি যাচাই করা, তাঁকে তাঁর সম্ভাবনা ও ত্রুটিগুলি সম্পর্কে অবহিত করা এবং তাঁকে নিজের উপযোগী জীবিকা-পরিকল্পনায় সাহায্য করা। এই কর্মসূচিতে কেরিয়ার টক, কেরিয়ার কনফারেন্সের মতো বিষয়গুলি আছে।
খ.৭ এগজেমটেড ক্যাটাগরি সেল
এমপ্লয়মেন্ট ডাইরেকটরেটের অধীন এগজেমটেড ক্যাটাগরি সেলে (ইসি) চার ধরণের কর্মপ্রার্থীর নাম নথিভুক্ত করা হয়।
১) সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে যাঁরা জমি দিয়েছেন
২) যাঁরা নির্বাচনী-কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন
৩) যাঁরা জন-গনণার কাজ করেছেন এবং
৪) যাঁরা মেধাবি ক্রীড়াবিদ।

রাজ্য-সরকারের অধীন বিভিন্ন দপ্তরে ইসি কুরমপ্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদগুলিতে এই ধরণের নথিভুক্ত কর্মপ্রার্থীদের নাম পাঠানো হয়।